আসসালামু আলাইকুম । জব অ্যান্টিবায়োটিক ব্লগে স্বাগতম। আমাদের আজকের আলোচনা বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির ১৫ টি টেকনিক । 



মাত্র ১৫ টি জব অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ ফলো করে বিসিএস প্রস্তুতি নিন ।
চাকরি জীবনের কথা মনে করলেই প্রথমে আসে বিসিএস এর নাম । লক্ষ লক্ষ চাকরিজীবীর স্বপ্ন বিসিএস পাশ করা । কিন্তু স্বপ্ন থাকলেও সবার সাধ্য থাকে না বিসিএস পাশ করা । বিসিএস পরীক্ষার অনেক ধাপ থাকে । প্রথমে আপনাকে প্রিমিলিনারি পাশ করতে হবে । আপনার যদি ভালো বেইসিক থাকে তাহলে আপনি সহজেই বিসিএস প্রিলিমিনারি পাশ করতে পারবেন । অনেকে আবার প্রচুর পড়াশোনা করেও বিসিএস এর প্রিলিমিনারি টপকাতে পারে না । তাই  প্রিলিমিনারি পাশ করতে হলে আপনাকে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ অর্থাৎ টেকনিক অবলম্বন করতে হবে । আজকে এমনি ১৫ টি অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ শেয়ার করব । যেগুলো অনুসরণ করলে প্রিলিমিনারি পাশের পথ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে ।
📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১:
🔰 ডোজের নাম : আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্য্য

👉 প্রথমত আপনার দরকার আত্মবিশ্বাস এবং ধৈর্য্য। বিসিএস পরীক্ষায় সাফল্য শুধুমাত্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং বিসিএস পরীক্ষায় সাফল্য তাদেরই যারা আত্মবিশ্বাসের সাথে ধৈর্য্য নিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করে । আপনাকে দিয়ে হবে এই বিশ্বাসটা ১০০% রাখতে হবে এবং প্রচুর ধৈর্য্য রাখতে হবে ।কারণ একেকটা বিসিএস পরীক্ষার প্রসেস শেষ হতে ২/৩/৪ বছর পর্যন্ত লেগে যায় । যার জন্য আত্মবিশ্বাস এবং ধৈর্য্য থাকাটা জরুরি ।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ২:
🔰 ডোজের নাম : নম্বর টার্গেট

👉 বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয় ২০০ নম্বরে । এই ২০০ নম্বরের মধ্যে আপনাকে নম্বর টার্গেট সেট করতে হবে । আপনাকে ২০০ নম্বরই পেতে হবে এমন না । একটা সেইফ জোন নম্বর আছে। প্রতি বছরে যারা প্রিলিমিনারি পাশ করে তাদের নম্বর বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ১২০-১৪০ নম্বরের মধ্যে থাকলে আপনি ইনশা আল্লাহ প্রিলিমিনারি পাশ করবেন । কারণ প্রশ্ন প্যাটার্ন এমন থাকে আপনি চাইলেও খুব বেশি উঠাতে পারবেন না ।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ৩:
🔰 ডোজের নাম : সিলেবাসের ধারণা

👉 পড়াশোনা শুরু করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিসিএস সিলেবাস সম্পর্কে ধারণা নেওয়া । সিলেবাস দেখে আপনাকে আগে নিজের দক্ষতা ও দুর্বলতার জায়গা বের করতে হবে । সিলেবাস দেখলে এমন টপিক পাবনে যেগুলো হয় তো আপনি ভালো পারেন । এটা হচ্ছে আপনার স্ট্রং জোন । স্ট্রং জোন আপনার ভালো নম্বর প্রাপ্তিতে সহায়তা করবে । আবার এমনও কিছু টপিক পাবনে যেগুলো একেবারেই আপনার কাছে নতুন লাগবে । এটা হচ্ছে আপনার উইক জোন। এটার কারণেই আপনি পিছিয়ে যেতে পারেন । তাই সিলেবাসের ধারণা নিয়ে উইক জোনে সময় দিন । নিজের মতো করে পড়ুন । সমস্যা দূর হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ ।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ০৪:
🔰 ডোজের নাম : বাস্তবসম্মত রুটিন

👉 পড়াশোনার জন্য একটি বাস্তবসম্মত রুটিন তৈরি করুন যা  আপনি সহজেই অনুসরণ করতে পারবেন ।কারণ একটি স্মার্ট রুটিন আপনাকে অবাঞ্ছিত ও অগোছালো পড়ার চাপ থেকে রক্ষা করবে। অবাস্তব রুটিন যা আপনি অনুসরণ করতে পারবেন না সেটা তৈরি করে আপনি এগিয়ে যেতে পারবেন না ।
মনে রাখবেন প্রিলি পরীক্ষা যতটা জ্ঞানের তার চেয়ে বেশি কৌশলের। তাই  পরীক্ষার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত পড়াশোনার বাইরে অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ দিন। পড়ার মধ্যে রেগুলারিটি বজায় রাখুন।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ০৫:
🔰 ডোজের নাম : প্রশ্নব্যাংক অ্যানালাইসিস

👉 সিলেবাসের টপিক ধরে ধরে বিগত বছরের বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রশ্ন গুলো অ্যানালাইসিস করুন এবং আপনি যে টপিকগুলো পড়ছেন তার থেকে কি ধরণের প্রশ্ন পূর্বের বিসিএসগুলোতে এসেছে তা খেয়াল করুন। অ্যানালাইসিস করলে আপনি একটা জিনিস বুঝে যাবেন যে আপনি পড়া শুরু করলে আপনাকে কি কি পড়তে হবে আর কি কি বাদ দিতে হবে ।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ০৬:
🔰 ডোজের নাম : বোর্ড বই পড়া

👉 প্রথমেই আপনাকে বোর্ড বই গুলো পড়ে শেষ করতে হবে । নতুনরা শুরুতেই একটা ভুল করে তা হলো বিসিএস এর জন্য প্রয়োজনীয় বোর্ড বই গুলো না পড়েই গাইড বই পড়া শুরু করে। কিন্তু শুরুতেই নবম- দশম শ্রেণির সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,সাধারণ বিজ্ঞান এবং ইন্টারমিডিয়েটের ভূগোল , ইতিহাস এবং পৌরনীতি বইগুলো হতে সিলেবাস অনুযায়ী নির্দিষ্ট টপিক পড়লে তা আপনার প্রিলি প্রিপারেশনের সাথে সাথে রিটেনের জন্যও হেল্প করবে।
এরপর বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির জন্য , বোর্ড বই গুলো মোটামুটি দেখা হয়ে গেলে যেকোন ভালো একটা প্রকাশনীর এক সেট বই কিনে পড়তে হবে।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ৭:
🔰 ডোজের নাম :  নোট তৈরি

👉 বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আপনার অধ্যয়ন থেকে নোট করা শিখুন । ক্যাডার হতে হলে সবকিছু পড়তে হবে এমন না । হাবিজাবি বাদ দিয়ে কৌশলী হয়ে পড়ুন । পড়ার সময় যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো লাল বা নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করুন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এমসিকিউ মনে থাকতে চায় না। এগুলো নোট করুন (প্রত্যেক বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা)।বিগত প্রশ্ন গুলো নিজের মেমরিতে সেট করে ফেলুন। সেটা জব সল্যশন নতুবা বিষয়ভিত্তিক গাইডের প্রতি অধ্যায়ের পেছন থেকে হোক। যেগুলো খুব ভালো পারেন সেগুলো বারবার না পড়ে যে প্রশ্নের উত্তর গুলো ভুলে যান তা লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করে বার বার পড়ুন।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ৮:
🔰 ডোজের নাম : কনফিউজিং তথ্য নোট

👉 কনফিউজিং তথ্যগুলোর আলাদা নোট  তৈরি করুন । কিছু টপিকের তথ্য যেমন
তারিখ এবং সংখ্যা সম্পর্কিত তথ্যগুলো আপনাকে খুব বিভ্রান্ত করতে পারে।তাই এই বিভ্রান্তিকর তথ্যগুলি ছোট ছোট নোট করে রাখুন। আপনার পড়ার টেবিলের সামনে বা বেডরুমের দেয়ালে বিভ্রান্তিকর তথ্যের কিছু পৃথক চার্ট, গ্রাফ বা তথ্য-সারণী লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে বার বার রিভিশন দেওয়ার ফলে আপনার কনফিউশন দূর হবে এবং আপনার বিসিএস প্রস্তুতি দৃঢ় হবে।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ৯:
🔰 ডোজের নাম : শব্দ করে পড়ুন

👉 স্পষ্ট উচ্চারণে শব্দ করে পড়ুন ।পড়ার সময় কোনো কনফিউশন রাখবেন না। অনেক অনেক বই না পড়ে ভাল মানের অল্প কয়েকটি বই  কিনুন। যা পড়বেন তা বার বার রিভাইজ দিন।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১০:
🔰 ডোজের নাম : বিরতি নিয়ে পড়ুন

👉 একটানা না পড়ে বরং পড়ার ফাঁকে অল্প সময় বিরতি দিন । কারণ বিরতি নিয়ে পড়লে অনেক দিন পর্যন্ত মনে থাকে। আপনি ৩০ মিনিট পড়ে ৫/১০ মিনিট মাথা খাটান।কি পড়ছেন তা মনে করার চেষ্টা করুন।এভাবে পড়ার ফাঁকে অল্প সময় বিরতি দিন।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১১:
🔰 ডোজের নাম : প্রতিদিন প্র্যাকটিস

👉 ইংরেজী, গণিত প্রতিদিন প্র্যাকটিস করুন । কারণ এই বিষয়গুলো অন্যের সাথে আপনার পার্থক্য গড়ে দিবে ।ইংরেজি ও গণিত ভালো করে প্রিপারেশন নিলে প্রিলির পাশাপাশি রিটেন এক্সামের জন্যও প্রস্তুতি নেয়া হয়ে যাবে। প্রিলির জন্য সব বিষয় তো পড়বেনই তবে কয়েকটা বিষয় এর প্রতি বেশি জোর দিয়ে পড়া উচিৎ। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও মানসিক দক্ষতা, বিজ্ঞান ও কম্পিউটার এই সব সাবজেক্ট কেন্দ্রিক আপনার বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি নিতে পারেন। ভালো প্রস্তুতি নিলে এগুলোতে ভালো নম্বর পাওয়া যায় সহজেই ।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১২:
🔰 ডোজের নাম : সংবাদপত্র পড়ুন

👉 সংবাদপত্র পড়ার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘন্টা সময় ব্যয় করুন
দেশ-বিদেশের বর্তমান এবং সর্বাধিক আলোচিত ঘটনা সম্পর্কে আপ-টু-ডেট থাকার জন্য সংবাদপত্রগুলি অপরিহার্য হাতিয়ার। আপনার বিসিএস প্রস্তুতির জন্য আপনাকে প্রতিদিন অন্তত একটি বাংলা এবং একটি ইংরেজি সংবাদপত্র পড়তে হবে। সেক্ষেত্রে ‘প্রথম আলো’ বা ‘দ্য ডেইলি স্টার’ নিয়মিত রাখতে পারেন। এছাড়া www.priyo.com, www.bdnews24.com বা www.banglanews24.com এর মতো জনপ্রিয় কিছু অনলাইন পোর্টালগুলিও ফলো করতে পারেন।
প্রতিদিন পেপারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে আলোচিত ঘটনা সম্পর্কে ডিটেইলস জানার চেষ্টা করুন (বিশেষ করে সমসাময়িক আর্ন্তজাতিক ইস্যুগুলো) এবং প্রিলিতে আসার মতো অংশটি নোট করুন।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১৩:
🔰 ডোজের নাম : স্মার্ট রিভিশন দিন

👉 একটি ‘স্মার্ট-রিভিশন চক্র’ অনুসরণ করুন । একটানা ১৩/১৪ ঘণ্টা পড়লেই বিসিএসের সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া যায় না। আপনি কতক্ষণ পড়লেন তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল আপনি কতটুকু পড়া মনে রাখতে পারেন। আপনার মেমরির সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে একটি স্মার্ট রিভিশন চক্র অনুসরণ করুন।

রিভিশনের মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে নিচের চক্রটি অনুসরণ করুন।

# প্রথম রিভিশন: যে কোনো পড়া মুখস্ত করার পর তা ১ ঘন্টা পর আবার মনে করার চেষ্টা করুন।এক্ষেত্রে প্রতিটি রিভিশনের জন্য মাত্র ৫-৬ মিনিট ব্যয় করুন।

# দ্বিতীয় রিভিশন: ২য় রিভিশনটি ঠিক ২৪ ঘন্টা (১ দিন) পরে দিন। ফলে আপনার মুখস্থ তথ্যগুলো আগামী এক সপ্তাহ মনে থাকবে।

# তৃতীয় রিভিশন: ৩য় রিভিশন ঠিক ৭ দিন (১ সপ্তাহ) পরে হওয়া উচিত। এতে আপনি আগামী এক মাসের জন্য আপনার বেশিরভাগ তথ্য মনে রাখতে সক্ষম হবেন।

# চতুর্থ (চূড়ান্ত) রিভিশন: শেষ রিভিশনটি ঠিক এক মাস পর হতে হবে। ফলে আপনার মুখস্থ তথ্যগুলো আপনার মেমরি সিস্টেমে স্থায়ী হবে।
এভাবে চক্রাকারে রিভিশনের মাধ্যমে আপনার পড়াগুলো দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১৪:
🔰 ডোজের নাম : গ্রুপ স্টাডি

👉 গ্রুপ স্টাডি বিসিএস প্রস্তুতির অন্যতম কার্যকরী একটি উপায়। একজন প্রার্থী গ্রুপ-সদস্যদের কাছ থেকে প্রচুর অনুপ্রেরণা এবং প্রয়োজনীয় আপডেট পেতে পারেন। আপনি অনলাইনে ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিতে পারেন। যেমনঃ গ্রুপ স্টাডির জন্য জব অ্যান্টিবায়োটিক প্ল্যাটফর্মের আলোচনা গ্রুপে যোগ দিতে পারেন ।

📌 অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ - ১৫:
🔰 ডোজের নাম : মডেল টেস্ট

👉 যত পারেন বিসিএস মডেল টেস্ট দিন ।আপনি অনলাইন বা অফলাইন যত বেশি মডেল টেস্টে অংশগ্রহণ করতে পারবেন নিজের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার হলে কিভাবে সময় মেইনটেইন করবেন তা সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পাবেন। এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্টের কোন বিষয়ে আপনার দক্ষতা কেমন সে সম্পর্কেও পূর্ণ ধারণা পাবেন।
এক্ষেত্রে  আমাদের জব অ্যান্টিবায়োটিক ফেসবুক গ্রুপ এবং পেজে সাপ্তাহিক মডেল টেস্টগুলোতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করুন ।

সবশেষে, বিসিএস পরীক্ষা মূলত পুরোটাই একটা মানসিক শক্তির খেলা। এখানে টিকে থাকতে জ্ঞানের চেয়ে কৌশল খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখবেন, আপনি একবার যদি ভালাভাবে বিসিএস প্রস্তুতি নেন তাহলে আপনার অন্যান্য জবের প্রস্তুতিও অনেকটাই গোছানো হয়ে যাবে। সবাই মেধাবী হয়ে জন্ম গ্রহণ করে না। আপনার মেধা যেমনই হোক না কেন,পরিশ্রম ও অধ্যবসায় থাকলে আপনি সফল হবেনই। 

সবশেষে আপনার জন্য শুভকামনা । আল্লাহ প্রতিটি বেকার ভাই বোনদের উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করে দিক। আমার জন্য ও দোয়া করবেন । আমিও যেন সফল হতে পারি ।

যদি লেখায় কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে ধরিয়ে দেবেন । অথবা আপনার কোন কার্যকরী স্টেপ জানা থাকলে জানাবেন ।

💥 প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
🔗 আমাদের পেজ লিংক:
https://facebook.com/JobAntibiotic
🔗 আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংক:
https://youube.com/@JobAntibiotic
🔗 আমাদের মেইল করুন:
jobantibiotic@gmail.com